লাঠিটিলায় সংরক্ষিত বনের ৭ একর জমি দখলের অভিযোগ সাংবাদিক খোরশেদের বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯-৯-২০২৫ রাত ১২:২৪
লাঠিটিলায় সংরক্ষিত বনের ৭ একর জমি দখলের অভিযোগ সাংবাদিক খোরশেদের বিরুদ্ধে
দেশের ঐতিহ্যবাহী বনাঞ্চল "লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনাঞ্চল" এর প্রায় ৭ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে সাংবাদিক খোরশেদের বিরুদ্ধে। অবৈধভাবে দখলকৃত ৭ একর জমির বিভিন্ন জায়গায় ফলজ গাছের চাষ করছেন সাংবাদিক খোরশেদ ও তার পিতাসহ পরিবারের সদস্যরা। একসময় আওয়ামী লীগের আস্থাভাজন ও দোসর সাংবাদিকতার আড়ালে স্থানীয় বন বিভাগের নিয়ম-কানুনকে তোয়াক্কা না করে এখনও এই দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছে সাংবাদিক খোরশেদ।
অভিযোগ রয়েছে কথিত সাংবাদিক খোরশেদ আওয়ামী লীগ আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বনাঞ্চলের এই জমি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ৫ আগস্টের পর তিনি সাংবাদিক পরিচয়ে তার দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় এলাকাবাসী ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, তিনি সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ ব্যবহার করে বন বিভাগের ওপর খবরদারি চালাতেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, খোরশেদ মূলত আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে সংরক্ষিত বনে অবৈধ দখল কার্যক্রমের সুযোগ পান। এই কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকে দখলমুক্ত করার প্রচেষ্টা এতো দিন কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না।
স্থানীয় এক বন কর্মকর্তা বলেন, এই বনাঞ্চল সংরক্ষিত এবং এখানে কোনো ফসলের চাষ বৈধ নয়। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দখলদারিত্ব স্থায়ী হয়েছে। আমরা বহুবার সতর্ক করেছি, তবু কোনও ফলাফল পাইনি।
খোরশেদের রাজনৈতিক ও সাংবাদিক পরিচয় সম্পর্কেও এলাকায় সমালোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ৫ আগস্টের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। সেই সময় থেকে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সরবরাহ করে থাকেন।
স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও বনপ্রেমীরা মনে করছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের এই দখল শুধু স্থানীয় বাস্তুসংস্থান এবং বনজ সম্পদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের অবনতি ঘটাচ্ছে। তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জমি দখল করা দেশের পরিবেশ নীতির লঙ্ঘন। কেবলমাত্র ভিলেজাররা বন দেখাশোনার শর্তে এখানে বসবাস করতে পারে। এ ধরনের অবৈধ দখল বনাঞ্চলের জৈববৈচিত্র্য, মাটি এবং পানিসম্পদের ক্ষতি করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মচারী এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেবার আহবান জানান।
স্থানীয় এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে যেসব ব্যক্তি বনাঞ্চল দখল করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে দখলমুক্ত রাখা এবং বনসম্পদ রক্ষার জন্য কার্যকর নজরদারি চালাতে হবে।
বনসম্পদ রক্ষায় রাজনৈতিক প্রভাব ও সাংবাদিকতার আড়ালে লুটপাট রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে তুলে না দিলে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের উপর আক্রমণ থামানো কঠিন হবে বলে মনে করছে বনপ্রেমী ও পরিবেশকর্মীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯-৯-২০২৫ রাত ১২:২৪
দেশের ঐতিহ্যবাহী বনাঞ্চল "লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনাঞ্চল" এর প্রায় ৭ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে সাংবাদিক খোরশেদের বিরুদ্ধে। অবৈধভাবে দখলকৃত ৭ একর জমির বিভিন্ন জায়গায় ফলজ গাছের চাষ করছেন সাংবাদিক খোরশেদ ও তার পিতাসহ পরিবারের সদস্যরা। একসময় আওয়ামী লীগের আস্থাভাজন ও দোসর সাংবাদিকতার আড়ালে স্থানীয় বন বিভাগের নিয়ম-কানুনকে তোয়াক্কা না করে এখনও এই দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছে সাংবাদিক খোরশেদ।
অভিযোগ রয়েছে কথিত সাংবাদিক খোরশেদ আওয়ামী লীগ আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বনাঞ্চলের এই জমি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ৫ আগস্টের পর তিনি সাংবাদিক পরিচয়ে তার দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় এলাকাবাসী ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, তিনি সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ ব্যবহার করে বন বিভাগের ওপর খবরদারি চালাতেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, খোরশেদ মূলত আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে সংরক্ষিত বনে অবৈধ দখল কার্যক্রমের সুযোগ পান। এই কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকে দখলমুক্ত করার প্রচেষ্টা এতো দিন কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না।
স্থানীয় এক বন কর্মকর্তা বলেন, এই বনাঞ্চল সংরক্ষিত এবং এখানে কোনো ফসলের চাষ বৈধ নয়। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দখলদারিত্ব স্থায়ী হয়েছে। আমরা বহুবার সতর্ক করেছি, তবু কোনও ফলাফল পাইনি।
খোরশেদের রাজনৈতিক ও সাংবাদিক পরিচয় সম্পর্কেও এলাকায় সমালোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ৫ আগস্টের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। সেই সময় থেকে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সরবরাহ করে থাকেন।
স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও বনপ্রেমীরা মনে করছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের এই দখল শুধু স্থানীয় বাস্তুসংস্থান এবং বনজ সম্পদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের অবনতি ঘটাচ্ছে। তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জমি দখল করা দেশের পরিবেশ নীতির লঙ্ঘন। কেবলমাত্র ভিলেজাররা বন দেখাশোনার শর্তে এখানে বসবাস করতে পারে। এ ধরনের অবৈধ দখল বনাঞ্চলের জৈববৈচিত্র্য, মাটি এবং পানিসম্পদের ক্ষতি করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মচারী এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেবার আহবান জানান।
স্থানীয় এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে যেসব ব্যক্তি বনাঞ্চল দখল করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে দখলমুক্ত রাখা এবং বনসম্পদ রক্ষার জন্য কার্যকর নজরদারি চালাতে হবে।
বনসম্পদ রক্ষায় রাজনৈতিক প্রভাব ও সাংবাদিকতার আড়ালে লুটপাট রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে তুলে না দিলে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের উপর আক্রমণ থামানো কঠিন হবে বলে মনে করছে বনপ্রেমী ও পরিবেশকর্মীরা।